কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৫ এ ১২:০২ PM
গ্রাম আদালতের উদ্দেশ্য ও সুবিধাসমূহ
কন্টেন্ট: পাতা
গ্রাম আদালতের উদ্দেশ্য ও সুবিধা
দ্রুত ও সহজ বিচার:গ্রামীণ জনপদে বিদ্যমান বিরোধগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করা।
স্বল্প খরচ:উচ্চ আদালতে মামলা পরিচালনার তুলনায় গ্রাম আদালতে খরচ অনেক কম বা প্রায় নেই বললেই চলে।
সহজলভ্যতা:সাধারণ মানুষের বিচার প্রাপ্তি সহজ করে তোলা।
সামাজিক শান্তি:স্থানীয় বিরোধগুলো শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের মাধ্যমে সামাজিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।
গ্রাম আদালতের গঠন
একটি গ্রাম আদালত গঠিত হয় ৫ জন সদস্য নিয়ে।
সভাপতি হিসেবে থাকেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।
বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষের দুজন করে প্রতিনিধি থাকেন, যাদের মধ্যে একজন করে পরিষদের সদস্য এবং অন্যজন সংশ্লিষ্ট পক্ষ মনোনীত বিচারিক ব্যক্তি।
মামলার ধরণ
গ্রাম আদালত ছোট ছোট দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা নিষ্পত্তি করে।
২০২৪ সালের সংশোধনী অনুসারে, গ্রাম আদালত সর্বোচ্চ ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করার ক্ষমতা রাখে।
আইনগত ভিত্তি
স্বাধীনতার পর ১৯৭৬ সালে গ্রাম আদালত অধ্যাদেশ প্রণীত হয় এবং পরবর্তীতে ২০০৬ সালে গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ (১৯ নং আইন) এর মাধ্যমে এটি আরও শক্তিশালী হয়। এই আইন স্থানীয়ভাবে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য একটি আইনগত ভিত্তি প্রদান করে।